অফিস শেষে টায়ার্ড লাগে এই অজুহাত দিয়ে আর কতদিন নিজের স্বপ্নগুলোকে মেরে ফেলবেন?

 অফিস শেষে টায়ার্ড লাগে এই অজুহাত দিয়ে আর কতদিন নিজের স্বপ্নগুলোকে মেরে ফেলবেন?



আমাদের জেনারেশনের সবচেয়ে বড় মিথ্যা সান্ত্বনা কী জানেন? ভাই, সারাদিন অফিস করে এসে আর নিজের কাজ করার এনার্জি থাকে না।

বিশ্বাস করেন, আপনার 9-to-5 Job আপনার স্বপ্নগুলো ধ্বংস করছে না। আপনার স্বপ্ন ধ্বংস করছে আপনার 5-to-9 Routine (বিকেল ৫টা থেকে পরদিন সকাল ৯টা)।

একটু লজিক দিয়ে ভাবুন। একটা রেগুলার চাকরিতে আপনি বছরে প্রায় ১০৪ দিন ছুটি পান (উইকেন্ড + সরকারি ছুটি)। এর সাথে প্রতিদিন অফিস আওয়ারের বাইরে পাচ্ছেন আরও কয়েক ঘণ্টা। অর্থাৎ, স্যালারি ঠিকঠাক পকেটে ঢুকছে, আবার নিজের স্বপ্নের পেছনে দৌড়ানোর জন্য বছরে ৪ মাসেরও বেশি সময় ফ্রি পাচ্ছেন।

কিন্তু আমরা কী করি?
- সকালে ৫ বার অ্যালার্ম স্নুজ করি।
- বাথরুমে বসে ৩০ মিনিট সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করি।
- অফিসের ফাকে ফাকে অপ্রয়োজনীয় গল্প করি।
- আর অফিস শেষে বাসায় এসে Deserved Break এর নাম করে Netflix বা TikTok এ ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে দেই।

দিনশেষে বিছানায় শুয়ে Overthinking করি ইশ! লাইফে কিছুই হলো না, সব দোষ এই স্লেভারি জবের!

অথচ যারা পরিবর্তনে বিশ্বাসী , তারা এই 5-to-9 সময়টাকেই কাজে লাগায়।
- তারা সকালে ১ ঘণ্টা আগে ওঠে।
- অফিস শেষে বাসে/ট্রেইনে বসে পডকাস্ট শোনে বা বই পড়ে।
- বাসায় ফিরে ২ ঘণ্টা ফোকাসড হয়ে নতুন কোনো স্কিল শেখে বা সাইড প্রজেক্টে কাজ করে।

ভাই, আপনার এনার্জি নাই এটা ভুল কথা। আপনার এনার্জি আছে, কিন্তু সেটা ভুল জায়গায় লিক হচ্ছে। Doomscrolling, overthinking, আর অহেতুক আড্ডায় যে এনার্জিটা দিচ্ছিন, সেটা নিজের Dream Project এ দিন।

আজকেই একটা ডায়েরি নিন। গত ২৪ ঘণ্টায় অফিস সময়ের বাইরে আপনি এক্সাক্টলি কী কী করেছেন, তার একটা হিসাব করুন। দেখবেন, আপনার সফলতার চাবিকাঠি আপনার হাতেই ছিল, আপনি শুধু সেটা দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করেছেন।

Don't blame the Boss. Blame the Habits.
স্বপ্ন আপনার, তাই স্যাক্রিফাইসটাও আপনাকেই করতে হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post